Sunday, November 2, 2025

এক আল্লাহর বান্দা ছিলেন—

 এক আল্লাহর বান্দা ছিলেন

দিনে তাঁকে এত হাসিখুশি দেখা যেত যে, মনে হতো তিনি বুঝি কখনো কাঁদেন না!

আর রাতের বেলায় তাঁকেই দেখা যেত এমনভাবে ফুঁপিয়ে কাঁদতে যে, মনে হতো তিনি বুঝি হাসতেই জানেন না...




















শেষ হজের সফরেও শুনেছিতাঁর মূল আমল ছিল একটাই: কান্না!

রাসূলে কারীম -এর শয়নগাহে জিয়ারতে যাওয়ার সময় পুরো পথজুড়ে তিনি শুধু কাঁদতেন।

সফরসঙ্গীদের একজন টিস্যু সঙ্গে রাখতেন কেবল তাঁর চোখের পানি মোছার জন্য।

এক নিকটজন একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন

এত কাঁদেন কেন? আল্লাহর কাছে কী চান?”

তিনি বলেছিলেন

একটাই জিনিস বেশি চাই আমার দিলের জজবা যেন শুদ্ধ হয়। যেন তা কখনো অশুদ্ধ না হয়।

তিনি আরও বলেছিলেন একটি ঘটনা

এক বুযুর্গ ছিলেন, যিনি রাতভর ইবাদত দোয়ায় মশগুল থাকতেন।তিনি বলতেনঃ

আল্লাহ পাকের কাছে কয়েকটি দো করেছিলাম।

একটি এখনো কবুল হয়েছে কিনা জানি না, বাকিগুলো কবুল হয়েছে।

আমি দো করেছিলাম যেন ইবাদতে অলসতা দূর হয়ে যায়।

এখনো জানি না, এটা কবুল হয়েছে কিনা!

(যিনি সারারাত ইবাদত দোয়ায় মশগুল, তিনিই চিন্তায় আছেন ইবাদতের অলসতা নিয়ে!)

একবার হজের সফরে, মদিনায় অবস্থানকালে এক ভাই প্রস্তাব করলেনঃ

এখন তো কোনো কাজ নেই, চলেন রাসূলে কারীম -এর রওজা মোবারক জিয়ারত করি।

তিনি বললেনঃ

রাসূলে কারীম -এর রওজা মোবারক জিয়ারত এত মামুলি বিষয় নয় যে কাজ নাই তাই জিয়ারত করতে যাবো!

সেখানে যেতে হলে আগে নিয়্যাত করবো, প্রস্তুতি নিবো,

আল্লাহ পাকের কাছে দো ইস্তিগফার করবো

নিজেকে পাক করে তারপর ভয় মুহব্বতের সাথে,

আদব ইহতিরামের সাথে জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবো।

অনেকেরই এখন ওমরাহ বা হজের সফর শুরু হয়েছে বা শিগগিরই হবে।এই কথাগুলো তাঁদের জন্য পাথেয় হতে পারে।তাই লিখে রাখলাম।

দো চাই

আল্লাহ পাক যেন আমাকেও কিছু আমলের তাওফিক দান করেন।

 

Best Regards---

Jamil Akkas Muhammad

Authority

Avenue Hajj International

 

 

No comments:

Post a Comment

এক আল্লাহর বান্দা ছিলেন—

  এক আল্লাহর বান্দা ছিলেন — দিনে তাঁকে এত হাসিখুশি দেখা যেত যে , মনে হতো তিনি বুঝি কখনো কাঁদেন না ! আর রাতের বেলায় তাঁ...